free
hit counter
Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net
Home » আন্তর্জাতিক » কেনো মানুষ বাংলাদেশে থাকতে আসবে?

কেনো মানুষ বাংলাদেশে থাকতে আসবে?

বাংলাদেশে মানুষ কেনো থাকতে চাইবে? যেখানে বিশ্বের অনেক জায়গা থেকে বাংলাদেশকে বসবাসের অযোগ্য হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে ! একই সাথে দূষিত ও ভয়াবহ জনগোষ্ঠীর ভিড়ে দারিদ্রতা যেন, মরার ওপর খারার ঘা হয়ে বিচরণ করছে দেশের সর্বত্র! কিন্তু এত কিছুর পরও এমন ভালো কী দিক আছে বাংলাদেশের? প্রশ্ন থেকে যায়।

 

বাংলাদেশকে অনুন্নত দেশগুলোর জন্য একটি আইকন হিসেবে ভিডিও কন্টেন্টে তুলে ধরেছেন পোল্যান্ডের একজন জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এগোন হেয়ার। তার পেজ প্রজেক্ট নাইটফলে বাংলাদেশ নিয়ে করা একটি ভিডিওতে চমকপ্রদভাবে উত্থান পতনের জায়গা থেকে উন্নত বাংলাদেশের একটি সুন্দর চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।

এমন অনেক বিষয় আছে যা বাংলাদেশকে অনেক দেশ থেকে স্বতন্ত্র ও অসাধারণ হিসেবে পরিচয় দিতে যথেষ্ট। প্রথমেই আসে ইউটিউবের কথা। ইউটিউবের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন একজন বাংলাদেশি বংশদ্ভুত জার্মান নাগরিক। পৃথিবীর দুই বিলিয়ন ইউটিউব ব্যবহারকারীর ধন্যবাদ জানানো উচিত বাংলাদেশের জাওয়াদ করিমকে। যিনি ২০০৫ সালের ২৪ এপ্রিল তার প্রথম ভিডিও আপলোড করেছিলেন।

সবচেয়ে বড় অনলাইন স্কুল যেখান থেকে ১০ মিলিয়ন শিক্ষার্থী অনেক কিছু শেখার সুযোগ পেয়েছে। যারা পড়াশোনা করতে পারেনি তারা শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে, সেই ইউটিউব চ্যানেল খান একাডেমির প্রতিষ্ঠাতাও একজন বাংলাদেশি, যার নাম সালমান খান। তাছাড়া যে নারী প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে বেশি সময় একটা দেশকেও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি আর কেউ নন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সর্বোপরি বাংলাদেশের নারীরা এত বেশি পরিশ্রমী, দক্ষ ও বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত যে বর্তমানে দেশের ৮০ শতাংশই নারী শ্রমিক।

কিন্তু খাবার দাবারের বিষয়ে বাংলাদেশের পরিবেশ ও মানুষ কতটা প্রসারিত? যারা নিরামিষ খাবার ছাড়া মাছ মাংস খায় না তারা বাংলাদেশে আসলে কি স্বাচ্ছন্দ্যে বসবাস করতে পারবে? হ্যাঁ, অবশ্যই পারবে কেননা বাংলাদেশ সেসব দেশের মধ্যে পড়ে যেখানে সবচেয়ে কম মেদবহুল মানুষ বসবাস করে। শুধু তাই না, স্বাস্থ্য সচেতনতা থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে, শান্তিরক্ষায়ও দেশের জনগণের ভূমিকা অপরিসীম। বাংলাদেশ ইউএন শান্তিরক্ষা অপারেশনের একটা বড় অংশগ্রহণকারী দেশ হিসেবে সাউথ ইস্ট এশিয়ার তৃতীয় সবচেয়ে বড় মিলিটারি টিম হিসেবে জায়গা দখল করে নিয়েছে।

এত সবের মধ্যে সবচেয়ে অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে একটা সময়ে বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে গরীব দেশের তালিকায় ২য় স্থানে ছিল। আর এখন বাংলাদেশের অর্থনীতি অন্যান্য যেকোনো দেশের তুলনায় সবচেয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ৩ বছরে ক্ষুধা ও দারিদ্রতায় প্রায় দেড় মিলিয়নের মতো মানুষ মারা যায়। একই সাথে বন্যা, রাজনৈতিক কারণে বাংলাদেশ অস্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে দিয়ে গেছে। যেখানে সবকিছু নিয়েই এত সঙ্কট, এত টানাপোড়েন সেখানে এমন পরিস্থিতি থেকে একটা দেশের উঠে আসা কীভাবে সম্ভব? এই অসম্ভবকেই দারুণভাবে সম্ভব করেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ অন্ধকার অতীতকে ভুলে গিয়ে আলোর ভবিষ্যত লিখেছে নিজের হাতেই। কেবল দারিদ্রতার সাথেই লড়াই করে উঠে এসেছে তা নয়, উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে রোল মডেলে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। দেশের বেড়ে উঠা গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্টির জন্য অনেকে পরবর্তী চায়না হিসেবে দেখছে বাংলাদেশকে। টপ এক্সপোর্টার হিসেবে সবার ওপরের স্থানে নাম লেখাতে পেরেছে বাংলাদেশ তাই এমনটা ধারণা তাদের। এত সবদিক থেকে চমৎকারভাবে নিজেকে প্রমাণ করার পর নিঃসন্দেহে বে অব বেঙ্গল সারা পৃথিবীর কাছ থেকে যেমন সম্মান পায় তার থেকে আরও অনেক বেশি বাংলাদেশের প্রাপ্য। 

Check Also

ডোমারে এ.এন. ফাউন্ডেশনের মেধা মূল্যায়ন পরিক্ষা ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠিত

  ডোমার (নীলফামারী) থেকেঃ নীলফামারীর ডোমারে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এ.এন. ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *