free
hit counter
Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net
Home » ফিচার » ছাত্রজীবনে ভলান্টিয়ারিং কেন জরুরী?

ছাত্রজীবনে ভলান্টিয়ারিং কেন জরুরী?

গত কিছু বছরে বাংলাদেশে প্রচুর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে উঠেছে। এই সংগঠনগুলো বিভিন্ন সামাজিক ইস্যু নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়াও বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানেই ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করার সুযোগ থাকে।

ভলান্টিয়ারিং করা যদিও একদমই নিজস্ব পছন্দ, তবুও ছাত্রজীবনে ভলান্টিয়ারিং-এর একটা আলাদা গুরুত্ব আছে। চলো দেখা যাক, ছাত্রজীবনে ভলান্টিয়ারিং কেন জরুরী..

১. ‍উপযুক্ত সময়:

ছাত্রজীবনই ভলান্টিয়ারিং করার ‍উপযুক্ত সময়। লেখাপড়া শেষ করে যখন আমরা ক্যারিয়ার গড়তে ব্যস্ত হয়ে পড়ি তখন ইচ্ছে করলেও অনেক কিছুতে সময় দেয়া যায় না।

২. সিভিতে অভিজ্ঞতা হিসেবে যোগ হবে :
যে কোন ধরণের ভলান্টিয়ারিং-ই সিভিতে এক্সপেরিয়েন্স, এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটি হিসেবে যোগ হবে। সামাজিক সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানে ভলান্টিয়ারিং এর অভিজ্ঞতা থাকলে তা যে কোন চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানেই গুরুত্বের সাথে নেওয়া হয়।

৩. নেটওয়ার্ক তৈরি করবে :

ভলান্টিয়ারিং করতে গিয়ে তুমি সমমনা মানুষদের সাথে একটা কমিনিউটি গড়ে তুলতে পারো।  একসাথে ভলান্টিয়ারিং করার সময় খুব ভালো কিছু বন্ধুও খুঁজে পাবে।

৪. ক্যারিয়ার গোল ঠিক করতে সাহায্য করবে :

ভলান্টিয়ারিং তোমার ক্যারিয়ার গোল সেট করতে সাহায্য করবে। তুমি কোন ধরনের ক্যারিয়ার গড়তে চাও, সেই ধরনের জবে তোমার কী ধরনের কাজ করতে হতে পারে- তা তুমি ভলান্টিয়ারিং করার মাধ্যমে শিখতে পারবে।
৫. নতুন স্কিল ডেভেলপ করবে :

ভলান্টিয়ারিং নতুন নতুন স্কিল ডেভেলপ করতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, এই স্কিল তুমি প্রফেশনালি ডেভেলপ করতে পারবে। প্রফেশনাল মানুষজনের সাথে কাজ করার সময় তারা কিভাবে কাজ করছে, কিভাবে নিজের স্কিল ডেভেলপ করছে, কোন স্কিলগুলোকে প্রায়োরিটি দিচ্ছে, কোন ঘাটতি কিভাবে কাটিয়ে উঠছে, প্রফেশনাল ম্যানার-অ্যাটিকেট কিভাবে মেইনটেন করছে-  সবকিছু নিজের চোখে দেখতে পারবে।

৬. আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে :

অনেকেই জব রিকোয়েরমেন্ট দেখে চাকরিতে আবেদন করার সময় আত্মবিশ্বাসহীনতায় ভোগে। কাজটা করতে পারব কি পারব না- ভলান্টিয়ারিং-এর এক্সপেরিয়েন্স থাকলে এই ধরনের ভয় কখনোই তোমার মধ্যে কাজ করবে না।

৭.সোশাল ও রিলেশনশীপ স্কিল বাড়িয়ে তুলবে:

ভলান্টিয়ারিং মানুষের মধ্যে সোশাল ও রিলেশনশিপ স্কিল বাড়িয়ে তোলে। ইন্ট্রোভার্টদের মধ্যে অনেকেই সামাজিক সম্পর্কগুলো মেইন্টেন করতে পারে না। অনেক মানুষের মধ্যে গিয়েও মানিয়ে নিতে পারে না। খুব বেশি মানুষের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে কষ্ট হয়। যা জীবনের সব ক্ষেত্রে অসুবিধার সৃষ্টি করে।

৮. কমফোর্ট জোন ভাঙতে সাহায্য করবে :

ভলান্টিয়ারিং আমাদের কমফোর্ট জোন ভাঙতে সাহায্য করে। ভলান্টিয়ারিং করতে গিয়ে আমাদের অনেক ধরনের নতুন নতুন কাজ করতে হয়, যেটা আমরা আগে কখনো করিনি। অথচ বাস্তব জীবনে সাফল্যের জন্য এই কাজগুলো অনেক সময় করাটা আবশ্যক হতে পারে, তখন ভলান্টিয়ারিং এর পূর্ব অভিজ্ঞতাটা বেশ কাজে লাগবে ।

৯. সচেতনতা বাড়ায় :

ভলান্টিয়ারিং করতে গিয়ে আমাদেরকে অনেক সময় প্রচুর মানুষের মাঝে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ করতে হয়। যা অনেক সময় নিজের ব্যক্তিগত জীবনেও কাজে লাগে। শুধু তাই নয় এই সচেতনতা আমরা আমাদের পরিবারেও ছড়িয়ে দিতে পারি। তাই ভলান্টিয়ারিং শুধুমাত্র সামাজিক গোষ্ঠী নয়, ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়াতেও সাহায্য করে।

১০. ডিপ্রেশন কাটাতে সাহায্য করে:

ছাত্রজীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ডিপ্রেসড হয়ে যাওয়াটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। ভলান্টিয়ারিং করতে গিয়ে ব্যস্ততা, বিভিন্ন ধরনের কাজ, বিভিন্ন মানুষের সাথে মেশার কারণে ডিপ্রেসড হওয়ার সুযোগই পাওয়া যায় না। কারো যদি ডিপ্রেশন থাকেও তা কাটিয়ে ওঠা যায়।

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ভলান্টিয়ারিং-এর মূল উদ্দেশ্যই থাকে শুধুমাত্র মানব সেবা। যা আমাদের স্যাটিসফাইড জীবন যাপনের সুযোগ করে দেয়।

সূত্র: ১০মিনিট স্কুল

Check Also

দুধ দিচ্ছে পাঁঠা!

ছাগী নয়, দুধ দিচ্ছে পাঁঠা। দুধদানকারী একটি পাঁঠাকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক চাঞ্চল্য। এই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *