free
hit counter
Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net
Home » জাতীয় » কবিরাজের কথায় ‘অনন্ত যৌবন’ পেতে পুরুষাঙ্গ কেটে শ্রমিককে হত্যা

কবিরাজের কথায় ‘অনন্ত যৌবন’ পেতে পুরুষাঙ্গ কেটে শ্রমিককে হত্যা

 

গত ৩০ মে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার পাইকপাড়া গ্রাম থেকে পুরুষাঙ্গ কাটা অবস্থায় নকিম উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

যশোরে পুরুষাঙ্গ কেটে ও চোখ উপড়ে শ্রমিককে হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। দাম্পত্য জীবনে অসুখী লিটন মালিথা (৪০) কবিরাজের পরামর্শে “অনন্ত যৌবন” লাভের আশায় নকিম উদ্দিন মোল্লাকে (৬০) খুন করে বলে জানায় পুলিশ।

এ ঘটনায় লিটন মালিথা ও কথিত কবিরাজ আব্দুল বারেককে (৬৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২ জুন) যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম জানান, গত ৩০ মে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার পাইকপাড়া গ্রাম থেকে পুরুষাঙ্গ কাটা এবং ডান চোখ উপড়ানো অবস্থায় নকিম উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. মাজহারুল ইসলাম বাঘারপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

তিনি আরও জানান, মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখাকে (ডিবি)। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম যশোর, মাগুরা ও ফরিদপুর জেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করেন। বুধবার তারা মানিকগঞ্জ জেলার ঘিওর থানাধীন চর ঘিওর মাঠে কৃষাণ সেজে লিটন মালিথাকে গ্রেপ্তার করেন।

পরে লিটনের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী একটি খড়ের গাদা থেকে নকিম উদ্দিনের শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা পুরুষাঙ্গ, অণ্ডকোষ ও চোখের মণি উদ্ধার করা হয়। একইসঙ্গে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা থানাধীন লোকনাথপুর থেকে তান্ত্রিক কবিরাজ আব্দুল বারেককেও গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার লিটন মালিথা জানিয়েছেন তিনি বৈবাহিক জীবনে অসুখী থাকায় তিনি গত ৮ বছর ধরে কবিরাজের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসার এক পর্যায়ে কবিরাজ জানায়- যদি কোনও পুরুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ এনে দিতে পারেন তাহলে তিনি অনন্ত যৌবনের অধিকারী হবেন। এ কারণে রিকশাচালক, কখনও কৃষিশ্রমিক, কখনও দিনমজুর হয়ে কাজ করে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলতেন লিটন। কিন্তু তাদের হত্যা করে শরীরের ওইসব অঙ্গ সংগ্রহ করতে পারেননি। সর্বশেষ নকিম উদ্দিনকে শ্বাসরোধে হত্যার পর অঙ্গগুলো সংগ্রহ করেন।

তবে গ্রেপ্তার কবিরাজ আব্দুল বারেক জানিয়েছেন, লিটনকে তিনি তিনটি অঙ্গ সংগ্রহ করতে বলেছেন। কোনও জীবিত মানুষকে হত্যা করে অঙ্গ আনতে বলেননি। যেখানে পোস্টমর্টেম হয়- সেখান থেকে যেন অঙ্গগুলো ম্যানেজ করে সে পরামর্শ দিয়েছিলেন তিনি।

পুলিশ তাদের কাছ থেকে তান্ত্রিক কবিরাজির বিভিন্ন সরঞ্জাম, দুটি মোবাইলফোন সেট এবং হত্যাকাজে ব্যবহৃত রশি ও চাকু উদ্ধার করেছে।

 

সুত্র: ঢাকা ট্রিবিউন

Check Also

ডোমারে এ.এন. ফাউন্ডেশনের মেধা মূল্যায়ন পরিক্ষা ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠিত

  ডোমার (নীলফামারী) থেকেঃ নীলফামারীর ডোমারে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এ.এন. ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *