free
hit counter
Download Free FREE High-quality Joomla! Designs • Premium Joomla 3 Templates BIGtheme.net
Home » নীলফামারীর খবর » সৈয়দপুরে চেক সংক্রান্ত মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোস্তাক গ্রেফতার

সৈয়দপুরে চেক সংক্রান্ত মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি মোস্তাক গ্রেফতার

শাহজাহান আলী মনন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ ১ম আদালতে চেক সংক্রান্ত মামলার রায়ে এক বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোস্তাক আহমেদ কায়সারকে (৫৯) গ্রেফতার করেছে সৈয়দপুর থানা পুলিশ।
শনিবার (২৬ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ৮টায় শহরের নতুন বাবুপাড়া পৌরসভা সড়ক থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। রবিবার সকালে সাজাপ্রাপ্ত ওই আসামিকে নীলফামারী আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সে সৈয়দপুর উপজেলার ওয়াপদা হাজীপাড়া এলাকার মৃত মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতার হওয়া আসামির বিরুদ্ধে গত ২০১৫ সালে অর্থ আত্মসাৎ বিষয়ে ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজের ১ম আদালতে চেক সংক্রান্ত একটি মামলা হয়। যার নং-সিআর-৪৬৪/২০১৫। ওই মামলায় আদালত আসামিকে হাজিরা দেয়ার নির্দেশ দিলেও সে থাকে অনুপস্থিত।
অবশেষে মামলার স্বাক্ষ্য প্রমাণ ও যুক্তি তর্ক শেষে তার অনুপস্থিতিতে চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারী রায় দেন আদালতের বিজ্ঞ বিচারক। এতে তার এক বছরের কারাদন্ড দেয়া হয়। পরে আসামি মোস্তাক আহমেদ কায়সারের বিরুদ্ধে  গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
আদালতের ওই পরোয়ানাটি নীলফামারী পুলিশ সুপারের মাধ্যমে থানায় আসে গত ১৯ মার্চ।
পরোয়ানাটি তামিল করতে সৈয়দপুর থানার উপ পরিদর্শক মো. সাহিদুর রহমান পলাতক আসামি মোস্তাককে ধরতে বিভিন্ন এলাকায় এলাকায় অভিযান চালায়। কিন্তু সে থাকে ধরাছোঁয়ার বাইরে। অবশেষে  নিয়োগ করা হয় সোর্স।
পরে  সোর্সের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল শনিবার রাতে নতুন বাবুপাড়া পৌরসভা সড়ক এলাকায় উপ-পরিদর্শক সাহিদুর রহমান ও আহসান হাবিবসহ সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে পৌরসভা সড়কের রাস্তার পাশে থেকে আসামি মোস্তাক আহমেদ কায়সারকে গ্রেফতার করে।
সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আবুল হাসনাত খান সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন তাঁকে আজ রবিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে নকল দলিল তৈরীর অভিযোগে ২০১৯ সালের একটি মামলায় পলাতক থাকায় হুলিয়া জারি হয়েছিল। দীর্ঘ দিন পরে আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিন নেয়। এভাবে সে নকল কাগজপত্র দিয়ে নানাভাবে হয়রানী করে চলেছে।
এমনকি সে নিজেকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দেন এবং এই পরিচয়ের ভিজিটিং কার্ডও আছে। অথচ এটি সম্পূর্ণ ভুয়া। কেননা এসংক্রান্ত তথ্য চেয়ে আবেদন করা হলে সুপ্রিম কোর্ট থেকে জানানো হয়েছে এই নামে কোন ব্যক্তি আইনজীবী নেই।

Check Also

ডোমারে এ.এন. ফাউন্ডেশনের মেধা মূল্যায়ন পরিক্ষা ও পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠিত

  ডোমার (নীলফামারী) থেকেঃ নীলফামারীর ডোমারে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এ.এন. ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *